Nocturn PlayNOCTURN PLAY
হোম › গেমস › Sands of the Mansa

Sands of the Mansa: সাহেলের সোনার টেবিল

সূর্যাস্তের মাটির শহরের সামনে রাজার তাঁবু, আর তার নিচে সোনার কয়েনে ভরা একটি টেবিল। ৫ অক্টোবর ২০২৬-এর সন্ধ্যায় প্রকাশিত Sands of the Mansa হলো Nocturn Play-এর কয়েন পুশার খেলা।

হালনাগাদ: ৫ অক্টোবর ২০২৬

কম্পিউটারে Sands of the Mansa-র শুরুর পর্দা: বাঁ দিকে «যা জেতায়» প্যানেল, মাঝখানে কয়েনের টেবিল, পেছনে সিরা, মানসা আর কালিফা, তারকা আকারের বড় «ফেলুন» বোতাম আর কমলা «কাফেলা» বোতাম
ধরন৩D কয়েন পুশার খেলা (রিল নেই)
গ্রিড৩D কয়েন পুশার টেবিল, ৩টি খাঁজ, সামনের কিনারায় ৫টি ভাগ
কীভাবে জেতা যায়সামনের কিনারা দিয়ে যা পড়ে
মূল ফিচারমাটির দেয়াল, কালিফার কাফেলা আর ×২ থেকে ×৫ গালিচা
সর্বোচ্চ জয়কাফেলার সময় মানসার মুকুট
বোনাস বাইহ্যাঁ
প্রকাশঅক্টোবর ২০২৬
স্টুডিওNocturn Play
ভাষা৩২টি ভাষা
মুদ্রা৫২টি মুদ্রা + ১১টি ক্রিপ্টো

বিস্তারিত রিভিউ: Sands of the Mansa রিভিউ: সাহেলের রাজার সোনার কয়েন টেবিল

মেলায় বা সমুদ্রতীরের আর্কেডে কয়েন পুশার মেশিন দেখেছেন? কাচের বাক্সে মোহরের স্তূপ ধারে ঝুলে থাকে, মনে হয় আর একটা দিলেই হুড়মুড়িয়ে নামবে। Sands of the Mansa সেই যন্ত্রটাকেই সোনায় মুড়ে বসিয়েছে মরুপ্রান্তের এক সম্রাটের শামিয়ানার নিচে। «উঠোনে প্রবেশ করুন» চাপলেই সিংহাসন থেকে রাজা চোখ তুলে চান।

শামিয়ানার নিচে তিনজন

«মানসা» উপাধিটা বহন করতেন পুরোনো মালির শাসকেরা, যাঁদের নাম আজও জড়িয়ে আছে স্বর্ণ আর নুনের বাণিজ্যযাত্রার সঙ্গে। মাঝখানে টেবিলের ঠিক পেছনে বসে স্বয়ং সম্রাট, সোনালি পাগড়ি, ঝলমলে সোনালি জোব্বা। বাঁয়ে সিরা: গলায়-কানে স্বর্ণালংকার, মুখে গাঢ় রঙের অবগুণ্ঠন; জয় এলেই সে একটা মোহর উঁচিয়ে ধরে। ডানে কালিফা, নীলচে পাগড়ির উটচালক দলের নেতা; উটের সারি কাছে এলে সে আঙুল তুলে সামনে দেখায়। পেছনে বেগুনি-কমলা আকাশ, বালির ঢেউ আর মাটির প্রাচীরঘেরা নগর।

ফেলা, ঠেলা, জেতা

এখানে কোনো রিল ঘোরে না। আছে মোহর আর কয়েকটা গুপ্তধনে বোঝাই একটা ৩D টেবিল, মাথার দিকে তিনটে খাঁজ, আগুপিছু করা একটা পুশার, আর পাঁচ লেনে ভাগ করা সামনের ধার। বাজির অঙ্ক বেছে «ফেলুন» টিপুন, নয়তো সরাসরি কোনো একটা খাঁজ ছুঁয়ে দিন: একেকটা মোহরের খরচ একটা বাজি। পুশার এগোয়, আর সামনের ধার টপকে যা নামে সবটাই আপনার। প্রতিটা মোহর আপনার বাজিটা ফিরিয়ে দেয়; বালা, বাট বা ঘোড়সওয়ার মূর্তি তার বহুগুণ দামি। একবারের ফেলায় যত কিছু নামে, সব একসঙ্গে জোড়া হয়। দুপাশ দিয়ে যে মোহর গলে যায়, সেটা নিছক দৃশ্য, হিসাবে তার কোনো ভূমিকা নেই।

Sands of the Mansa-য় জয়: সামনের কিনারা দিয়ে একটি বালা আর কয়েকটি কয়েন পড়ছে, পাশে টাকার অঙ্ক, আর সিরা একটি সোনার কয়েন তুলে ধরেছে

মেলার যন্ত্রের সঙ্গে আসল ফারাক এখানেই: প্রত্যেকটা ফেলার ভাগ্য সমান। টেবিল যত ভরা বা ফাঁকাই লাগুক, যে খাঁজই নিন, আগের দানে যা-ই হোক। কাজেই টেবিলকে «খাইয়ে» তৈরি করার দরকার নেই। মোহর ছাড়ার মুহূর্তে আমাদের সার্ভারে ফলাফল স্থির হয়; স্ক্রিনের ধাক্কাধাক্কি কেবল সেটাকে অভিনয় করে দেখায়।

নুনের চাঙড় তুলে দেয় প্রাচীর

সামনের ধার দিয়ে নুনের একটা চাঙড় নামলে দুপাশে খাড়া হয় মাটির দেয়াল। সঙ্গে মেলে পাঁচটা ফ্রি কয়েন, আর দেয়াল যতক্ষণ আছে ততক্ষণ পাশ দিয়ে কিছু খোয়া যায় না। পরে প্রত্যেকটা নতুন চাঙড়ে জোটে আরও দুটো ফ্রি কয়েন।

সোনার উট, তারপর কাফেলা

উটটা নামলেই হাজির কালিফার দলবল: দশটা ফ্রি কয়েন, টেবিলজুড়ে ঢেলে দেওয়া একথলে সোনা, দুপাশে উঁচু দেয়াল, আর সামনের পাঁচ লেনের ওপর বিছানো রাজকীয় কার্পেট। মাপগুলো এমন: ×২, ×৩, মাঝখানে ×৫, ×৩, ×২। যে জিনিস কার্পেটের ওপর দিয়ে নামে, তার দাম ওই গুণে বাড়ে। এই পর্বেও প্রতিটা নুনের চাঙড় দুটো করে ফ্রি কয়েন দেয়। টেবিলের মাথায় তিনটে গণনা চলে: কটা ফ্রি কয়েন বাকি, কটা উট নেমেছে (শূন্য থেকে তিন), আর এই পর্বে কত উঠল।

কম্পিউটারে কালিফার কাফেলা: টেবিলের ওপরে বিনামূল্যের কয়েন, উট আর কাফেলার জয়ের কাউন্টার, কিনারায় ×২ ×৩ ×৫ ×৩ ×২ গালিচা, দুই পাশে দেয়াল

এই পর্বে তিনটে উট নামলে সম্রাট তাঁর মুকুট টেবিলে রেখে দেন। সেটা সামনে দিয়ে গড়িয়ে পড়লে মেলে বাজির এক হাজার গুণ। কাফেলা না চললে মুকুটের দেখা মেলে না।

সরাসরি কেনা, অটো, টার্বো

কমলা «কাফেলা» বোতাম টিপলে দশটা ফ্রি কয়েন হাতে নিয়ে পর্বটা তখনই শুরু; আপনার বাজিতে এর মূল্য পর্দাতেই লেখা। অটো মোড টানা পাঁচ থেকে একশোটা মোহর ছাড়ে এবং উটের দল এলে থেমে যেতে পারে; টার্বো পুশারের গতি বাড়ায়। কম্পিউটারে বাঁ পাশের প্যানেলে মেলে «যা জেতায়», «সংক্ষেপে» আর «শেষ কয়েনগুলো»।

খাড়া করে ধরা ফোনে Sands of the Mansa: ওপরে তিন চরিত্র, মাঝে কয়েনের টেবিল, নিচে বোতাম

ঘূর্ণি চাকা একটাও নেই, তবু ক্যাটালগে খেলাটা «নতুন» এবং «স্লট» দুই তাকেই রাখা, কারণ খেলার ছন্দ স্লটেরই: বাজি, বোতাম, ফল। জিনিস গড়িয়ে নামতে দেখতে যাঁদের ভালো লাগে, তাঁরা শিয়াল-উৎসবের পিনবোর্ড Fox Festival-ও চেখে দেখুন। ভাষা ৩২টি, ৫২টি দেশি মুদ্রা আর ১১টি ক্রিপ্টো; চলে ফোনে, ট্যাবে, ল্যাপটপে। মানসার এই টেবিল এখন কেবল আমাদের সাইটেই, পুরোপুরি ফ্রি; স্টুডিওর অন্য ১৭টি গেম ক্যাসিনোয় যায় SoftAggregator হয়ে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কোন খাঁজে কয়েন ফেলি, তাতে কি কিছু যায় আসে?

একেবারেই না। তিন খাঁজের ভাগ্য সমান, আর টেবিলের চেহারা বা আগের ফলাফলও কিছু পাল্টায় না।

পাশ দিয়ে খসে পড়া কয়েনের কী হয়?

স্ক্রিন থেকে মিলিয়ে যায়, তবে ফল বদলায় না, কেননা সার্ভার আগেই সেটা স্থির করেছে। দেয়াল উঁচু থাকলে পাশ দিয়ে কিছু খসেও না।

মুকুটটা টেবিলে আসে কখন?

উটের দল চলার সময় তিনটে সোনার উট নামতে হবে। তারপর মুকুট টেবিলে বসে, আর সেটা সামনে দিয়ে নামলে বাজির এক হাজার গুণ মেলে।

Sands of the Mansa কি কোনো অনলাইন ক্যাসিনোতে খেলা যায়?

এই মুহূর্তে না: শুধু nocturnplay.com-এ, বিনা পয়সায়, কোনো লগইন বা ইনস্টল ছাড়াই। আমাদের গোটা ক্যাটালগ নিয়ে ভাবছেন এমন অপারেটর চোখ রাখুন অংশীদার পাতায়।

Nocturn Play-এর আরও গেম