The Cinder Clockmaker: বুড়ো ঘড়িওয়ালার মধ্যরাতের স্লট
বৃষ্টিভেজা কাচের ছাদের নিচে এক বুড়ো ঘড়িসাজের কারখানা। গিয়ার ঘোরে, পেন্ডুলাম দোলে, আর রাত বারোটা বাজলেই বোনাসের হিসাব বদলে যায়।
হালনাগাদ: ৫ অক্টোবর ২০২৬

বিস্তারিত রিভিউ: The Cinder Clockmaker: যে স্লট আপনার জয় মনে রাখে
নামের মানে «ছাইয়ের ঘড়িওয়ালা»। ৪ অক্টোবর ২০২৬-এ প্রকাশিত এই স্লটের নায়ক এক সাদা চুলের কারিগর, চোখে পিতলের লুপ, হাতে চিমটা আর ছোট্ট সোনালি গিয়ার। পেছনে চাঁদের আলোয় ভেজা গথিক জানালা। খেলাটা মোটেও ধীর নয়, যদিও সাজসজ্জা পুরোনো দিনের।
রিলের উচ্চতা প্রতিবার আলাদা
ছয়টা রিল, আর প্রতি স্পিনে প্রতিটার উচ্চতা নতুন করে ঠিক হয়: কোনোটায় দুটো ছবি, কোনোটায় সাতটা পর্যন্ত। সব রিলে সাতটা পড়লে ৭×৭×৭×৭×৭×৭ = ১,১৭,৬৪৯ ওয়েজ, কোনো পে-লাইন নেই। রিলের মাথায় একটা ড্রামের মতো কাউন্টার ঘুরে দেখিয়ে দেয় এই স্পিনে ঠিক কতগুলো ওয়েজ খোলা।
জিততে হলে একেবারে বাঁ দিকের রিল থেকে শুরু করে লাগোয়া রিলগুলোতে একই ছবি থাকতে হবে। সাধারণ সিম্বল (তামার গিয়ার, হেয়ারস্প্রিং, তেলের শিশি, চিমটা, বালুঘড়ি, ছোট ঘণ্টা) পে করে ৪টি রিল থেকে। দামি সিম্বল, যেমন ম্যাগনিফাইং গ্লাস, পকেট ঘড়ি আর চুনি, পে করে ৩টি রিল থেকেই।

গিয়ার হয়ে ফেটে পড়া জয়
যে সিম্বল জেতে, সে ছোট ছোট গিয়ারে ভেঙে উড়ে যায়, খালি ঘর ভরাতে মাথার দিক থেকে ঝরে আসে নতুন ছবি। নতুন জয় হলে আবার একই ঘটনা। জয় যতক্ষণ আসছে, ক্যাসকেডও থামে না।

পিতলের পেন্ডুলাম: ×১ থেকে ×১০
রিলের ওপরে ঝুলছে একটা পিতলের পেন্ডুলাম। ক্যাসকেডের প্রতিটি জয়ে সেটা এক খাঁজ এগোয়, আর আপনার জয় গুণ হয় তার দেখানো মানে: ×১, ×২, ×৩, এভাবে ×১০ পর্যন্ত। মজার ব্যাপার হলো, নতুন স্পিন শুরু হলেও পেন্ডুলাম আগের খাঁজেই ঝুলে থাকে। তবে জয়হীন প্রতিটি স্পিন তাকে এক খাঁজ পিছিয়ে দেয়। ফলে টানা কয়েকটা ভালো স্পিনের পর গুণক উঁচুতে থাকে, আর সেই সময়টাই সবচেয়ে উত্তেজনার।
সোনালি পেন্ডুলাম হলো ওয়াইল্ড। আসে ২ থেকে ৬ নম্বর রিলে, দম-চাবি বাদে বাকি সবকিছুর বদলি হতে পারে। আর সোনালি গিয়ার পড়লে পেন্ডুলাম সরাসরি আরও এক খাঁজ ওঠে।
দম-চাবি আর মধ্যরাতের মহা ক্যারিলন
তিনটা আলাদা রিলে ৩ বা তার বেশি দম-চাবি এলে ফ্রি স্পিন শুরু। বোনাসে তিনটা নিয়ম বদলায়: পেন্ডুলাম আর কখনো পিছোয় না, প্রতিটি সিম্বল ৩টি রিল থেকেই পে করে, আর প্রতিটি সোনালি গিয়ার পেন্ডুলামকে ওপরে ঠেলে। বোনাসের ভেতরে আবার চাবি এলে আরও ফ্রি স্পিন যোগ হয়।
এবার আসল নাটক। বোনাস চলার সময় ঘড়িটা আপনার প্রতিটি জেতা ক্যাসকেড গোনে, প্রতিটায় একবার ঘণ্টা বাজে। বারো নম্বর ঘণ্টায় মধ্যরাত: মহা ক্যারিলন (Grand Chime) বেজে ওঠে, আর বোনাসে এ পর্যন্ত যা জিতেছেন, পুরোটা ২, ৩, ৫ বা ১০ দিয়ে গুণ হয়। প্রতি বোনাসে এটা একবারই ঘটে।

খেলার আগে যা জানা দরকার
- জয়ের ছাদ বাজির ৫,০০০ গুণ (৳১০ বাজিতে ৳৫০,০০০)।
- অপেক্ষা না করে ফ্রি স্পিন কিনে নেওয়ার বোতামও আছে।
- স্বয়ংক্রিয় স্পিন চালু করলে চাবি পড়ামাত্র থামানোর সেটিং দিতে পারেন; টার্বো মোডে ক্যাসকেড দ্রুত চলে।
- নেট কেটে বোনাস মাঝপথে থামলে, গেম আবার খুললেই সেখান থেকে চলতে থাকে।
গ্রিড প্রতিবার বদলানোর মজা যদি আগে Gold Rush Outlaws-এ পেয়ে থাকেন, এখানে সেই ধারণার সাথে যোগ হয়েছে ক্যাসকেড আর এমন এক গুণক, যা স্পিন পেরিয়েও বেঁচে থাকে। আমাদের অন্য গেমগুলোর পাশে এটা কোথায় দাঁড়ায় দেখতে খুলুন পুরো ক্যাটালগ।
ক্যাসিনো-মালিক বন্ধুদের জানিয়ে রাখি: ৪ অক্টোবর থেকেই ঘড়িওয়ালার কারখানা খোলা আছে প্রতিটি SoftAggregator অনলাইন স্লট API অ্যাকাউন্টে, আলাদা চুক্তি ছাড়াই।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
The Cinder Clockmaker-এ সর্বোচ্চ কতগুলো ওয়েজ?
১,১৭,৬৪৯টি, যখন ছয়টা রিলের প্রতিটায় ৭টি করে সিম্বল পড়ে। রিলের ওপরের কাউন্টার প্রতিটি স্পিনের আসল সংখ্যা দেখায়।
পেন্ডুলাম গুণক কি পরের স্পিনে থাকে?
হ্যাঁ, থাকে। কিন্তু জয় ছাড়া প্রতিটি স্পিনে এক খাঁজ নেমে যায়। ফ্রি স্পিনে কখনো নামে না।
মহা ক্যারিলন কখন বাজে?
বোনাসে বারোটা জেতা ক্যাসকেড হলে। তখন বোনাসের এ পর্যন্ত মোট জয় ×২, ×৩, ×৫ বা ×১০ হয়, প্রতি বোনাসে একবার।
ফোনে খেলা যায়?
হ্যাঁ। nocturnplay.com-এ ব্রাউজারেই ফ্রি খেলুন, খাড়া বা আড়াআড়ি দুইভাবেই; অ্যাকাউন্ট বা ডাউনলোড লাগে না।


